এর আগে একই দিন সকালে প্রতিনিধি দলটি চিলমারী নৌবন্দর পরিদর্শন করে। প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে সড়ক ও নৌপথে পণ্য পরিবহনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে দুই বন্দর পরিদর্শন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
ভুটানের জিএমসিএর উপপরিচালক (আন্তর্জাতিক ও কৌশলগত বিষয়াদি) কালদেন দর্জির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সহযোগী পরিচালক নিম এলহাম এবং রয়্যাল ভুটানিজ দূতাবাসের মিনিস্টার-কাউন্সিলর (বাণিজ্য) দাওয়া শেরিংসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সোনাহাট স্থলবন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন। তাঁরা বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, পণ্য ওঠানো-নামানো ও পরিবহনের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে সোনাহাট স্থলবন্দরের দূরত্ব ও সম্ভাব্য যোগাযোগব্যবস্থাও তাঁরা যাচাই করেন।
এ সময় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম তারেক, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন এবং সোনাহাট স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন ব্যাপারী ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শহিদুল ইসলাম আকন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের মধ্যে সমঝোতার পর কুড়িগ্রামে ভুটানের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের মার্চে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগুয়েল ওয়াংচুক প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের স্থান পরিদর্শন করেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলটি বাস্তবায়িত হলে কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ভুটানের বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়তে পারে। পাশাপাশি সোনাহাট স্থলবন্দর ও চিলমারী নৌবন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনের পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ জন্য সড়ক যোগাযোগ ও বন্দর অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন।