কুড়িগ্রামের চিলমারীতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধর করে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা হওয়ার পর একই পরিবারের বাড়িতে আবার হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের মুদাফৎথানা (বেলেরভিটা) হরিণের বন্দ এলাকায় বিপ্লব মিয়ার বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জিয়াদুল ইসলাম (৩৫) নামের একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, শনিবার দেশীয় অস্ত্র হাতে প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি তাদের বাড়িতে ঢুকে বিপ্লব মিয়া ও তার স্ত্রী আনু বেগমকে মারধর করেন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। এ সময় জিয়াদুলকে আটক করা হয়। তিনি উলিপুর উপজেলার কাজিরচর এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে।
জানা গেছে, চিলমারী উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম মিয়ার সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ আগস্ট প্রথম দফায় এবং ২৬ আগস্ট মধ্যরাতে দ্বিতীয় দফায় বিপ্লব মিয়ার বাড়িতে হামলা করা হয়। দ্বিতীয় দফায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা আনু বেগমকে মারধর করা হলে তার গর্ভপাত হয় বলে পরিবারের লোকজন দাবি করেন। ওই ঘটনায় ঘরে আগুন দেওয়া, টাকা লুট এবং বিপ্লব মিয়াকে জিম্মি করে ফাকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও করা হয়। পরে এ ঘটনায় মামলা হয়।
বিপ্লব মিয়া বলেন, মামলা হওয়ার পরদিনই আবার তাদের ওপর হামলা হয়েছে। তিনি ও তার স্ত্রী মারধরের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে ভ্রূণ হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।