খবর পেয়ে রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে শকুনটি উদ্ধার করেন। পরে সেটিকে কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে শকুনটিকে রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
রাজারহাট বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শকুনটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে হিমালয়ান গৃধিনী শকুন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। শীত মৌসুমে হিমালয় অঞ্চল থেকে কিছু শকুন বাংলাদেশে আসে।
কুড়িগ্রাম রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদিকুল ইসলাম জানান, শকুনটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর পরবর্তী চিকিৎসা, পরিচর্যা ও সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থার জন্য সেটিকে রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
বন বিভাগ জানায়, পরিযায়ী এই শকুন সাধারণত শীত মৌসুমে হিমালয় ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে আসে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসার কারণে কোনো কোনো শকুন দুর্বল বা ক্লান্ত হয়ে লোকালয়ে আশ্রয় নিতে পারে। বন্যপ্রাণী অসুস্থ, আহত বা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় দেখলে নিজে ধরার বা বিরক্ত না করে দ্রুত বন বিভাগকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে বন বিভাগ।