মহালয়া দুর্গোৎসবের গুরুত্বপূর্ণ একটি তিথি। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে বিশেষ পূজা, চণ্ডীপাঠ ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভোরে চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গার আগমনী আবাহন জানানোর মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন ভক্তরা।
হিন্দু পুরাণ অনুসারে, অসুররাজ মহিষাসুরকে বধ করে দেবতাদের স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধারের জন্য দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের সম্মিলিত শক্তি থেকে আবির্ভূত দেবী দুর্গা দেবতাদের দেওয়া বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মহিষাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং তাকে বধ করেন।
সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পিতৃপক্ষে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় জল ও তিল নিবেদনের মাধ্যমে তর্পণ করা হয়। মহালয়ার দিনে এই আচার পালনের মধ্য দিয়ে পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভক্তরা।
আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসব।
সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন নৌকায়।