প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে দুই নারী চুল ধরে মারামারি শুরু করেন। স্থানীয়রা তাদের সরিয়ে নিয়ে যান। পরে গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপনের জিম্মায় তাদের দেওয়া হয়।
দুই নারীর একজন খাদিজা সুলতানা মৌ দাবি করেন, লিটন সরকার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তাকে বিয়ে করেছেন। এ-সংক্রান্ত তালাকনামা তার কাছে রয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী ফাতেমা বেগম দাবি করেন, তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।
খাদিজা বলেন, তিনি তার স্বামীর তালাকের বিষয়টি যাচাই করতে এসেছেন। তিনি আরও দাবি করেন, লিটন তাকে ঢাকায় যাওয়ার কথা বললেও পরে জানতে পারেন, তিনি অন্যত্র অবস্থান করছেন।
গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন বলেন, বাসস্ট্যান্ডে দুই নারী মারামারি করছেন শুনে তিনি তাঁদের নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয়দের ভিড় বাড়লে তাঁদের নিজের জিম্মায় রাখেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।