কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের কাইম বড়াইবাড়ী এলাকায় আট শতক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোকেয়া বেগম (৮৩) ও তাঁর ছেলে রমজান আলী (৪৫) আহত হয়েছেন। রমজান আলীর অভিযোগ, হামলাকারীদের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাঁর মাথা ও কানে গুরুতর জখম হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রমজান আলীর অভিযোগ, গত ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাদশা, মতিয়ার ও কাউছারের মামাতো ভাই জান্নাতসহ কয়েকজন তাঁদের জমিতে আসেন। এ সময় তাঁদের হাতে রামদা, চায়নিজ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। একপর্যায়ে তাঁরা জমিতে ভাঙচুর, লুটপাট ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা প্রথমে রমজান আলীর মা রোকেয়া বেগমকে আঘাত করেন। মাকে আহত অবস্থায় দেখে এগিয়ে গেলে রমজান আলীকেও রামদা ও চায়নিজ কুড়াল দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তাঁর মাথা ও কানে গুরুতর জখম হয়। পরে তাঁর মাথা ও কানে ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
রমজান আলীর দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিটি ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের কাইম বড়াইবাড়ী এলাকায় অবস্থিত। আরএস খতিয়ান নম্বর ১৭৩-এর ৮৯, ৯০ ও ১৫২ নম্বর দাগে জমিটি রয়েছে। জমিটির মালিক হিসেবে তিনি মৃত নূর আলী কাঠমিস্ত্রির নাম উল্লেখ করেন। তাঁর অভিযোগ, ওই জমির আট শতক দখলের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় বাদশা, কাউছার ও মতিয়ারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম সদর থানায় অভিযোগ করেছেন বলে জানান রমজান আলী।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’