বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
এই মাত্র পাওয়া খবর::
উলিপুরে জলবায়ু ন্যায্যতা প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান মৃত্যুর পরও বাড়‌তি অর্থের চাপ, ঢাকায় কবরের জায়গা নি‌য়ে সংকট বিদেশ যাওয়ার পথে কুড়িগ্রামে বিটিএসভক্ত ৩ কিশোরী উদ্ধার চিলামারী‌তে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী, বৃদ্ধের বিরুদ্ধে মামলা উলিপু‌রে মাদরাসার জ‌মি‌ দখল ক‌রে বসতবা‌ড়ি নির্মাণের অ‌ভি‌যোগ তেলের বাড়‌তি দামে চরের কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ কুড়িগ্রামে তথ্য অধিকার দিবসের আলোচনা কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের কার্যক্রম পরিদর্শনে ১১ প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা চিলমারী‌তে টাকা জমা দেওয়ার এক বছর পরও মিলেনি বিদ্যুৎ সংযোগ, ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর চাওয়ার দাবি উলিপুরে মাদকসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি  
নোটিশঃ
*** কুড়িগ্রামনিউজ২৪.কম এ আপনাকে স্বাগতম * * * সবার আগে  জেলার খবর জানতে চোখ রাখুন***

উলিপু‌রে মাদরাসার জ‌মি‌ দখল ক‌রে বসতবা‌ড়ি নির্মাণের অ‌ভি‌যোগ

উলিপুর প্রতি‌নি‌ধি
Update : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ন




কুড়িগ্রামের উলিপুরে গোড়াই পিয়ার পিয়ারিয়া দাখিল মাদরাসার ১৫ শতাংশ জমিতে চারটি বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই জমি দখলে থাকায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জায়গা কমে গেছে। জমির সীমানা নির্ধারণ করে তা দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

গত ২ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর এ আবেদন করেন মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুস সবুর।
আবেদনে স্থানীয় বা‌সিন্দা মো. নুরুন্নবী সরকার ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে মাদরাসার জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ করা হয়।

জানা গে‌ছে, ১৯৭১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। তিনটি দলিলের মাধ্যমে মাদরাসার নামে ৮০ শতক জমি রয়েছে। এসব জমির সাবেক দাগ নম্বর ৩৭৭১, সাবেক খতিয়ান ১৩৬০ এবং হাল দাগ নম্বর ৩৯৪৬, হাল খতিয়ান ৮৮৬। জমিগুলো মাদরাসার নামে রেকর্ডভুক্ত এবং নিয়মিত নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করা হয় বলে দাবি তাদের।

মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষক বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা হারিয়ে আজিজার রহমান, আশরাফুল ইসলাম ও কয়ছার আলী ওই এলাকায় বসতি গড়েন। তাদের বসতি মাদরাসার মাঠের অংশে পড়েছে। আগে ওই জায়গায় ছাত্রীরা খেলাধুলা করত।

তবে সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলোর ভাষ্য, তিস্তা নদীর ভাঙনে তাদের বাপ-দাদার বসতভিটা বিলীন হয়েছে। বসবাসের জন্য অন্য জায়গা না থাকায় তারা সেখানে ঘর নির্মাণ করে থাকছেন।

মো. নুরুন্নবী সরকার বলেন, সেখানে বসবাসকারীরা তার আত্মীয়-স্বজন। নদী ভাঙনে বসতভিটা হারানো কয়েকটি পরিবার তার পাঁচ শতাংশ জমিসহ মাদরাসার জমিতে বাড়ি করেছে। তাদের বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করা হলে তারা সেখান থেকে চলে যাবেন।

নুরুন্নবী আরও বলেন, তার বাপ-দাদাসহ পরিবারের অনেকেই মাদরাসায় জমি দান করেছেন। মাদরাসার সুপার তাকে ‘ভূমিদস্যু’ বলায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন।

মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুস সবুর বলেন, মাদরাসার নামে জমির রেকর্ড ও নামজারি রয়েছে এবং নিয়মিত খাজনা দেওয়া হচ্ছে। জমিতে বাড়ি নির্মাণ করায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ মাদরাসার বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

উলিপুর উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে মাদরাসার জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই বিভাগের আরও খবর....
Developed by- Ansari IT