রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
*** কুড়িগ্রামনিউজ২৪.কম এ আপনাকে স্বাগতম * * * সবার আগে  জেলার খবর জানতে চোখ রাখুন***

রাজারহা‌টে মাদরাসায় নিয়োগে জমি ও টাকার লেনদেনের অভিযোগ

রাজারহাট প্রতি‌নি‌ধি
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন




কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার একটি আলিম মাদরাসায় তিনটি পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে জমি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, আবেদন করতে না দেওয়া এবং অধ্যক্ষের বাড়িতে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিধি মেনেই নিয়োগ সম্পন্ন করার দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মাওলানা খলিলুর রহমান।

অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের রাজমাল্লী তালুয়াপাড়া হামিদিয়া আলিম মাদরাসায় গত ৫ সেপ্টেম্বর গোপনে তিনটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে অফিস সহায়ক পদে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নানের ছেলে সুমনকে ২০ শতাংশ জমির বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে হাবিবুর রহমানের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে সাদেকুর রহমানের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো নথি পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়োগ পরীক্ষা মাদরাসার পরিবর্তে অধ্যক্ষের নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার জন্য অল্প সময়ের জন্য প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তিনটি পদের বিপরীতে মাত্র ১৩ জন পরীক্ষার্থী দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় এরশাদুল ইসলাম বলেন, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা রোস্তম আলী বলেন, মাদরাসা প্রতিষ্ঠায় যাঁরা শ্রম, মেধা ও অর্থ দিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়োগের সুযোগ না দিয়ে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।

মাদরাসার জমিদাতা প্রয়াত আব্দুল জব্বারের নাতি আতিকুর রহমান বলেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কথা জানার পর আবেদন করতে গেলে অধ্যক্ষ তাঁকে আবেদনের সময় শেষ হয়ে গেছে বলে জানান।

নিয়োগের সময় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন আতাউর রহমান বকসী। তিনি বলেন, টাকা-পয়সা লেনদেনের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে জমির বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার কথা তাঁকে কয়েকজন জানিয়েছেন। বিষয়টি কতটুকু সত্য, তা তিনি নিশ্চিত নন।

অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, যথাযথ নিয়োগবিধি অনুসরণ করেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। জমির বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, ২০ শতাংশ জমি তিনি নিজের টাকায় কিনেছেন।


এই বিভাগের আরও খবর....
Developed by- Ansari IT