কুড়িগ্রামে ৫৬৭টি পূজামণ্ডপে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যানজট নিরসন এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত হয়েছে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। সভায় দুর্গাপূজা উদ্যাপনসহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
দুর্গাপূজায় টানা ৩ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর অফিস খোলা
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভায় মোট ৫৬৭টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব উদ্যাপিত হবে। উৎসব ঘিরে মণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নিরাপত্তা জোরদার, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান, বিজিবির ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক এস এ মাহাবুব উল আলম এবং এনএসআইয়ের উপপরিচালক আনিসুর রহমান।
দুর্গাপূজায় টানা ৩ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর অফিস খোলা
রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব এবং জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন। গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষে বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্প্রীতির পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন প্রশাসনের অগ্রাধিকার। দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।